top of page



গিরহিন্দা
আমার জীবনে দু'রকমের যাত্রা আছে। একটা শুরু হয় সরকারি চিঠি, তিনটে এক্সেল শিট, গাড়ির রিকুইজিশন আর "আর্জেন্ট ফিল্ড কো-অর্ডিনেশন" নামের একটা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ দিয়ে। আরেকটা শুরু হয় বালার ড্রইংরুমে দাঁড়িয়ে বলা কথাটা দিয়ে— "কল্লোল, এবার স্বাভাবিক গবেষকের মতো আচরণ করো, প্রত্নতাত্ত্বিক ছাগলের মতো নয়।" দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এই যাত্রাটা দু'রকম ভাবেই শুরু হল। আর এবার তৃতীয় আরেকটা সূচনাও ছিল—একটা ফোনকল, যা সবকিছু জুড়ে দিল। শ্রীনজয়ের ফোন। সেই শ্রীনজয়, যে আমার পুরোনো মক্কেল, শেখপুরা


মেদিনীপুরে মৎস্যমঙ্গল
গরমের ছুটি মানেই আমাদের কাছে তিনটে জিনিস—আম-কাঁঠাল, দুপুরবেলা লুডো, আর কলকাতার গলির মোড়ে দাঁড়িয়ে পৃথিবী উদ্ধার করার প্ল্যান। আমরা চারজন—আমি পাটলা, আমাদের নেতা ভোঁদা ব্যানার্জি, সঙ্গে ক্যালকুলেটর-মাথা টিনটিন, আর সারাক্ষণ খিদে-পাওয়া কাবুল—সেই বছর ঠিক করলাম, কলকাতা আর নয়।আমরা যাব মেদিনীপুরের এক গ্রামে।কারণ ভোঁদা ঘোষণা করেছিল,“দ্যাখ পাটলা, মানুষকে প্রকৃতির কাছে ফিরতেই হবে। কলকাতার ফুচকা আর টেলিভিশন মানুষকে দুর্বল করে দিচ্ছে। আমরা মাছ ধরতে শিখব। তারপর একদিন গঙ্গার ওপর আন্তর্জাতিক


কলকাতা ২০৩০: স্থানীয় এলাকা উন্নয়ন পরিকল্পনা
Kallol Saha এসডিজি (SDG) ইন্ডিয়া সূচকে পশ্চিমবঙ্গ এখন অগ্রগামী রাজ্যগুলোর দলে স্থান করে নিয়েছে; ২০২৩-২৪ সালে রাজ্যটির দাপ্তরিক সামগ্রিক স্কোর দাঁড়িয়েছে ৭০-এ, যা ২০২০-২১ সালের তুলনায় ৮ পয়েন্ট বেশি। এটি নিঃসন্দেহে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি, কিন্তু রাজ্যের বৃহত্তম নগর ব্যবস্থায় ওয়ার্ড-স্তরে যে ধরনের সেবামূলক রূপান্তর প্রয়োজন, তা এখনো এই স্কোরে পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি। কলকাতা থেকেই এই উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করাটা সবচেয়ে যৌক্তিক পদক্ষেপ; কারণ কলকাতা পৌরনিগম (KMC) শহরের ১৪৪টি ওয়ার্ড




bottom of page

